আজ  বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯

আলহাজ্ব এ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল এর নেতৃত্বে বিজয় সমাবেশে যোগ দিলেন চাঁদপুর-২ আসনের হাজারো নেতাকর্মী

parvez Matlab

এম. পারভেজ পাটোয়ারীঃ গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয় সমাবেশে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘদিন পর গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে  ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করেছে। তারা মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে বিজয় ধরে রাখতে হবে। যখন দায়িত্ব পেয়েছি জনগণের সেবা করার, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য আমাদের সরকার সুষমভাবে কাজ করে যাবে। জনগণের স্বার্থে কাজ করবো। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের মানুষ আমাদের প্রতি যে আস্থা-বিশ্বাস রেখেছে, প্রয়োজনে নিজের জীবন দিয়ে হলেও জনগণের সেই আস্থা-বিশ্বাসের মর্যাদা আমরা রক্ষা করবো। বাংলাদেশ একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে হিসেবে গড়ে তুলতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আমরা বর্তমানকে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উৎসর্গ করি। যাতে তারা একটি উন্নত ও সুন্দর জীবন পায়।’

50309807_749623438735529_878648548101455872_n

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৫৭টি আসনে জয় নিয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে গত শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক বিশাল বিজয় সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। আওয়ামী লীগ এই সমাবেশের আয়োজন করে। ব্যাপক জনসমাগমে সমাবেশটি রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জয়বাংলা শ্লোগান আর ঢাক-ঢোলের বাদ্যে শুধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নয়, রাজধানী ঢাকার সব পথেই ছিল উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি- পেশার মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেন।  ঐতিহাসিক এ বিজয় সমাবেশে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) এর জননন্দিত নেতা মতলবের প্রাণ আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এর নেতৃত্বে সমাবেশে যোগ দেন চাঁদপুর-২ আসনের হাজার হাজার নেতাকর্মী। বেলা ৩টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন নির্বাচনী প্রতীক নৌকার আদলে এবং পেছনের ব্যানারে সাজানো দলের এবারের ইশতেহারের মলাটের রঙে সুদৃশ্য ও নান্দনিক সুবিশাল মঞ্চে উপস্থিত হন, তখন ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের অনেক ঘটনার সাক্ষী ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। বৈঠাসহ ছোট বড় ৪০টিরও বেশি নৌকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত  ফেস্টুনে বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছিল সমাবেশের মাঠ। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চে আসার পর শুরু হয় সমাবেশের মূল আনুষ্ঠিকতা। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম ‘শুকরিয়ারে শুকরিয়া, কোটি কোটি শুকরিয়া/ বঙ্গবন্ধুর  নৌকা মার্কায় ভোট দিয়া’ গানটি গাওয়ার সময় মঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা। পরপর তাঁর তিনটি গানের সঙ্গে সুর মেলান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জনসমুদ্রে যোগ  দেয়া লাখ লাখ নেতাকর্মীও। এরপরই মঞ্চে আসেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনী প্রচারে যে গানটি সারাদেশের মানুষকে উদ্বেলিত করে তুলেছিল, সেই ‘জয় বাংলা, জিতবে আবার নৌকা’ গানের শিল্পীরা। এছাড়া বেলা সাড়ে ১২টা থেকেই মূল মঞ্চ থেকে  দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা একাধারে নানা সাড়া জাগানিয়া গান পরিবেশন করে সমাবেশে আসা  নেতাকর্মীদের মাতিয়ে রাখেন। সমাবেশে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, জানে আলম, পথিক নবী, আঁখি আলমগীর, সালমরা গান গেয়ে শোনান। ব্যান্ড দল জলের গানও তাদের পরিবেশনা নিয়ে আসে এই উৎসবে।