আজ  মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি সন্দেহে চাঁদপুরে ডিবি পুলিশের সাথে ব্যবসায়ীর হাতাহাতি

 

সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি সন্দেহে এক ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমের সাথে ডিবি পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার বিকেলে চান্দ্রা চৌরাস্তা সংলগ্ন সিআইপি বেড়িবাঁধের রাস্তার উপর এই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
দীর্ঘ আধা ঘন্টা যাবৎ ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমের সাথে ডিবি পুলিশের এসআই মামুনের হাতাহাতি অবশেষে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে চান্দ্রা ইউনিয়ন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। চান্দ্রা ইউনিয়নকে টেকনাফের নগরী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন অনেকে।
কারণ সদর উপজেলার সবচেয়ে বড় মাদক সম্রাট ও ব্যবসায়ী এই ইউনিয়নে মাদকের বড় চালান পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছে।
এই ইউনিয়নে ডিবি পুলিশ, মডেল থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তারপরও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীদের তাদের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে চান্দ্রা ইউনিয়নে ডিবির এসআই মামুনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।
চান্দ্রা চৌরাস্তা সংলগ্ন গাজী বাড়ির সামনে সিআইপি বেড়িবাঁধের উপর ইট ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম নোয়াখালী থেকে আসা ইটের গাড়ির চালকের কাছে টাকা লেনদেনের সময় দূর থেকে ডিবি পুলিশ দেখতে পায়। এসময় একটি কালো হাইস গাড়ি থেকে ডিবি পুলিশের এসআই মামুন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নেমেই ইট ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে টাকাসহ ধরে ফেলে।খোরশেদ আলম ছিনতাইকারী মনে করে ডিবি পুলিশকে মারধর করতে থাকে। ডিবি পুলিশও পাল্টা তাকে উত্তম মধ্যম দেয়।
এই ঘটনায় পরেই ডিবি পুলিশ খোরশেদ আলমকে টেনে গাড়িতে উঠানোর সময় এলাকার মানুষ তাদেরকে বাধা দেয়।
এই নিয়ে দীর্ঘ সময় ডিবি পুলিশের সাথে গাজী বাড়ির লোকজনের হট্টগোল শুরু হয়।
অবশেষে ডিবি পুলিশ ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে রেখেই সেখান থেকে চলে আসেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, খোরশেদ আলম একজন ইট ব্যবসায়ী তিনি নোয়াখালী থেকে ইট এনে এই এলাকায় বিক্রি করে। ইটের টাকা লেনদেনের সময় ডিবি পুলিশ তাকে মাদক বিক্রি টাকা ভাগাভাগি সন্দেহে আটক করার চেষ্টা করে।
এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে কোন খুঠির বলে তা জনমনে প্রশ্ন দেখা দেয়।
প্রশাসনের সঠিক তদারকি ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকলে এই এলাকায় মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল মনে করছে।
,