আজ  বৃহঃবার, ২ জুলাই, ২০২০

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট বাবরুল আমিনের উদারতা, কবরস্থান ও শ্মশানের জায়গার দাম

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের হামানঙ্কর্দি গ্রামের মৃত মোঃ রুহুল আমিন মোল্লা বড় ছেলে ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট বাবরুল আমিন মোল্লা। চাঁদপুরের কৃতি সন্তান বাবরুল আমিন একজন মহান ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত হয়েছেন। এডভোকেট বাবরুল আমিন এলাকার জনগণের কথা চিন্তা করে নিজেদের পৈত্রিক ভূমিতে নিজ অর্থায়নে ৬ শতাংশ জায়গায় চতুরর্দিকে দেওয়ালের বেষ্টনী করে কবরস্থান নির্মাণ ও হিন্দুদের সমাহিত করার জন্য ২ শতাংশ শ্মশান খোলার জায়গা দান করেছেন।
এই মহতী ব্যক্তি কবরস্থান ও শ্মশান খোলা জায়গা দান করায় নিজেকে উদারতার পরিচয় দিয়েছেন।
বাবরুল আমিন মোল্লা দীর্ঘ ১০ বছর লন্ডনে পড়ালেখা শেষ করে বাংলাদেশে এসে ঢাকা সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে কোর্টে এডভোকেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে দায়িত্ব পালনকালে চাঁদপুরের মামলার সক্রান্ত ঘটনায় শত শত লোককে বিনা খরচে মামলার জটিলতা সমাধান করেছেন।
এছাড়া তিনি মহামারি ভাইরাস করোনা কালীন সময়ে এলাকায় অনেক লোককে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।
এ বিষয়ে মৈশাদী ইউনিয়ন এর বেশ কয়েকজন লোক জানান, এডভোকেট বাবরুল আমিন বাবর মোল্লা তার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তিতে নিজের টাকায় মানুষের জন্য কবরস্থান নির্মাণ করেছেন ও পার্শ্ববর্তী হিন্দুদের কথা চিন্তা করে তাদের শ্মশান খোলার জায়গা দান করে দিয়েছেন।
এলাকার কিছু কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। স্থানীয় লিটন বণিক নিজের স্বার্থ হাসিল করতে শ্মশান খোলার জায়গা সহ বাবরুল আমিন মোল্লার জায়গা দাবি করে দখল করার পায়তারা লিপ্ত রয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

এডভোকেট বাবরুল আমিন জানান, আমার বাবা রুহুল আমিন মোল্লা ৪০ বছর বন বিভাগে কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় ১৯৪৩ সালে বাবা নিজের টাকায় মৈশাদী ইউনিয়নের অক্ষয় কুমারের কাছ থেকে তিন একর ৬৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে। সেই জায়গার মধ্যে সিএস ৩১২ বিএস হাল ৫১২ দাগে ১৮ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেছেন।সেই জায়গা আমাদের নামে বিএস ,আরএস খতিয়ান ও খারিজ করা হয়েছে। সেই জায়গা থেকে দুই শতাংশ জায়গা হিন্দুদের কথা চিন্তা করে শ্মশান খোলার জন্য দান করেছেন।
কিন্তু এলাকার লিটন বণিক শ্মশান খোলা জায়গা সহ আমাদের জায়গা নিজেদের দাবি করে দখলের পাঁয়তারা করছে। শ্মশান খোলা ভাঙচুর করার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
আমার বাবা যেরকম মানুষের জন্য করেছেন তদ্রূপ আমি মানুষের সেবায় নিয়োজিত আছি। আমার ছোট ভাই দীর্ঘদিন যাবত কুয়েতে আছেন। কিন্তু আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক।

শাহরিয়ার খান কৌশিক,মোঃ,০১৭১৩৬৮৮৯২০