আজ  বৃহঃবার, ২ জুলাই, ২০২০

চাঁদপুরে ক্ষেতের ফসল বিনষ্ট করায় ছাগলের ঘরে আগুন দিয়ে লঙ্কাকাণ্ড,সংঘর্ষ আশঙ্কা

 

চাঁদপুর সদর উপজেলা ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন ক্ষেতের লইট্টা শাক ছাগল খেয়ে ফেলায় দুই পক্ষের মাঝে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ক্ষেতের ফসল বিনষ্ট হওয়াকে কেন্দ্র করে ছাগলের ঘরে আগুন দিয়ে পরিবেশ-পরিস্থিতি উত্তেজিত করে লঙ্কাকাণ্ডের মত ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে চান্দ্রা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বালিয়া গ্রামের জলিল মাস্টারের বাড়িতে।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ফরাজী বাড়িতে মকবুল ফরাজী অবতার ভাই শামসুদ্দিন ফরাজী সাথে সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছিল। গত কয়েকদিন পূর্বে শামসুদ্দিন ফরাজী ক্ষেতের লইট্টা শাক মকবুল ফরাজীর ছাগল গিয়ে খেয়ে ফেলায় এ নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ওয়ার্ড মেম্বার ও সালিশিরা সমাধান করার জন্য বসে। সেই দরবারে লোকজন সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরে সালিশি বৈঠক ভেঙে যায়।
রবিবার রাতে মকবুল ফরাজী তার প্রতিপক্ষ ভাইকে ফাঁসানোর জন্য ছাগলের ঘরে নিচে আগুন লাগিয়ে দিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। আগুন লাগার বিষয়টি বাড়ির মানুষ দেখতে পেয়ে দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় তার একটিও ছাগল মারা যায়নি ও ছাগলের ঘরে আগুনে পুরেনি।
শামসুদ্দিন ফরাজীর ছেলে সেলিম ফরাজী জানান, ছাগলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ করা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকে বসে নিজেদের মধ্যে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি। কিন্তু প্রতিপক্ষ চাচা মকবুল ফরাজী সালিশী বৈঠক ভেঙ্গে দিয়ে নিজের ছাগলের ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করে। মুকুল ফরাজী প্রতিদিন বাংলা মদ শেষে এলাকায় মাতলামি করে ও সাধারন মানুষদের মারধর করে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে হাজারো অভিযোগ যা তদন্ত করলে প্রমাণিত হবে।
এদিকে অভিযুক্ত মকবুল ফরাজী স্ত্রী মিনারা বেগম জানান, ক্ষেতের শাক খেয়ে ফেলায় ছাগলের ঘরে শত্রুতাবশত আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুন নিভিয়ে ফেলার কারণে ছাগল অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায়। সম্পত্তি নিয়েই মূলত তারা দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের সাথে ঝামেলা করে আসছে। এই ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।

এদিকে ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার জাহাঙ্গীর খান জানান, দুই ভাই মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। এই সমস্যাটি স্থানীয়ভাবে আমরা বসে চেষ্টা করেছি কিন্তু সমাধান না হওয়ায় চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করব। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে যারা আইন হাতে তুলে নিবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নিব।

শাহরিয়ার খান কৌশিক, মো,০১৭১৩৬৮৮৯২০