আজ  শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চাঁদপুর শাহমাহমুদপুরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় স্বামীর মামলা

 

চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুরে ইউনিয়নের গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় স্বামী মিন্টু বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শাহমাহমুদপুরে ইউনিয়নের মান্দারী গ্রামে
পালাক্রমে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানা ওসি নাছিম উদ্দিন এসআই আওলাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন।
গণধর্ষণের ঘটনায় রবিবার চাঁদপুর মডেল থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করবেন চাঁদপুর মডেল থানার ইন্সপেক্টর মোরশেদ।
মামলার বাদী মিন্টু জানান, মান্দারী গ্রামে জায়গা ক্রয় করে একতলা ভবন নির্মাণ করে সেখানে দ্বিতীয় স্ত্রী সহ বসবাস করে আসছি। নিজ বাড়িতে অটোরিকশা ও সিএনজির গ্যারেজ দেওয়ার কারণে রাত পর্যন্ত চালকরা বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। সেই সুযোগে এলাকার কয়েকজন বখাটে যুবক সুযোগ বুঝে অটোরিকশায় চার্জ দেওয়ার কথা বলে ঘরের ভিতরে ঢুকে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাতে বাড়িতে এসে একজনকে বের হতে দেখে সন্দেহ হলে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এসে গণধর্ষণের করেছে বলে স্বীকার করে।
স্ত্রীকে নিয়ে থানায় এসে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়।
স্থানীয় বাবুল আটোয়ারী জানান,স্বামী-স্ত্রী প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ করে মারামারি করতো।
ঘটনার দিন রাত তিনটায় বেদম মারধর করলেন স্ত্রী এসে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। কিন্তু কী কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মারামারি হয়েছে তা জানানি আর গণধর্ষণ হয়েছে কিনা তাও এলাকার কেউ জানে না। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করলে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পাবেন।
এদিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা মোরর্শেদ জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় স্বামী বাদী হয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। স্ত্রীকে ধর্ষণের আলামত জন্য হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়।
মেডিকেল রিপোর্ট আসার পর ও তদন্ত করে পরবর্তীতে গণধর্ষণের ঘটনার সত্যতা যাচাই করা যাবে।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ জানান, এই ইউনিয়নে এই প্রথম এই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তারা এই ধরনের ঘটনা সাথে জড়িত আছে কিনা তা সন্দেহ রয়েছে। গণধর্ষণের ঘটনায় যে বাদী হয়েছে সেই মিন্টু কিছুদিন পূর্বে মাদক সহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তারা সবাই সাথে সে চলাফেরা করতো।
পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করলেই এ ঘটনা সত্য না মিথ্যা কথা প্রমাণ পাবে।

শাহরিয়ার খান কৌশিক, মো,০১৭১৩৬৮৮৯২০