আজ  সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

চাঁদপুর-২ আসনে কে পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন

Chandpur-2 Candidate

আরাফাত আল-আমিন ◊
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে চাঁদপুর-২ আসনে জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ। ইত্যোমধ্যে রাস্তা-ঘাটে, হাট-বাজারে এমনকি চা দোকানগুলোতেও চলছে নির্বাচনী আলাপ। এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেতে দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন ১০ জন প্রার্থী। দলীয় মনোনয়ন পেলেই জয় নিশ্চিত ভেবে দলের হাইকমিশনে জোড় তদবির করছেন তারা। এখন শুধু দেখার পালা কে পাচ্ছেন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-২ আসন। সংসদীয় আসন নং ২৬১। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি এবং মোট ভোটার ৩ লাখ ৯২ হাজার ৫৯৬ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৮ জন ও নারী ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৩৮ জন। এরমধ্যে যুক্ত হয়েছে নতুন হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকাও।

চাঁদপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) এমপি, ত্রাণ মন্ত্রীর পুত্র আওয়ামী লীগ নেতা সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু, সাবেক এমপি এম. রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক (ভারপ্রাপ্ত)সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, তরুন শিল্পপতি এম. ইসফাক আহসান, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খোকা পাটোয়ারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জাকিয়া সুলতানা শেফালী।

দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া পর্যন্ত কোন প্রার্থীই মাঠে প্রচার প্রচারণা করছেন না। তফসিল ঘোষনার পর থেকে কোন প্রার্থী বা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীকে মাঠে নির্বাচনী ওয়ার্কে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে কথা হয় একাধিক প্রার্থীর সাথে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমরা দলীয় মনোনয়ন আশা করি। কিন্তু দল যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই মনোনয়ন দিবেন। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই মনোনয়ন পেলেই আমরা মাঠে একযোগে দলীয় প্রতীক নৌকার পক্ষে সবধরনের প্রচার প্রচারণা শুরু করবো।

এদিকে চাঁদপুর-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে জানা গেছে, সাধারন মানুষ ভোটের মাধ্যমে কাক্সিখত প্রার্থীকে জয়ী করতে চায়। ভোট দেওয়ার আনন্দে তারা এখন দিন-ক্ষন গুনছেন। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের মাঝে নির্বাচনী উল্লাস বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।