আজ  মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৮

চেষ্টা থাকলে সবই সম্ভব : মেসি

 

ক্রীড়া ডেস্ক ঃ

বুধবার রাতে পিএসজির বুকে বার্সা শেষ পেরেকটা পুঁতে দিতেই সাইডলাইনের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন। তারপর? উচ্ছ্বাসের নানা রঙ দেখেছিল ন্যুক্যাম্প। দেখেছিল আপাত গম্ভীর কোচ এনরিকেকে পাগলের মতো লাফালাফি করতে। দেখেছিল বার্সার তারকাদের এ, ওর গায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে। দেখেছিল তার মুষ্টিবদ্ধ হাত, সতীর্থের কাঁধে চড়ে উচ্ছ্বাস। আর সমর্থকদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার তীব্র বাসনা। লিওনেল মেসি।

ন্যুকাম্পের ভেতরের ছবি যদি এটা হয়, তাহলে বাইরের ছবিও তাকে ঘিরেই। মাঠ ছেড়ে যখন সবে রওনা হয়েছেন বাড়ির পথে, তখন তার গাড়ি ঘিরে ধরেন পাগলপারা সমর্থকরা। নাচ, গান, লাফালাফি শুরু করে দেন তার গাড়িটিকে ঘিরেই। স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে সে উচ্ছ্বাসের তাপে মনের বালিশটা ফুলিয়ে নিচ্ছিলেন মেসি। পাশে ছিলেন বান্ধবী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জু।

সমর্থকরা যতক্ষণ ধরে গাড়ি আটকে রেখেছিলেন, তাতে যে কারও ধৈর্যচ্যুতি ঘটত। কিন্তু মেসি আর আন্তোনেল্লা একবারও ধৈর্য হারাননি। উল্টো আন্তোনেল্লাই সমর্থকদের এ উচ্ছ্বাসের মুহূর্ত ভিডিও করেন। পরে সেই ভিডিও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পোস্ট করেন তিনি। ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের রাতে অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কিন্তু মেসির মুখ থেকে একটা শব্দ শোনা যায়নি। কেন কথা বলছেন না মেসি? প্রশ্নটা অনেককেই ভাবিয়েছিল।

ঐতিহাসিক রাতের একদিন বাদে মুখ খুললেন মেসি। ক্লাব সমর্থকদের উদ্দেশে রাখলেন বার্তা, ‘যখন চেষ্টা থাকে, যখন সঠিক মানসিকতা থাকে, যখন খিদে থাকে, তখন কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে আমার দল, আমাদের অনুরাগীরা।’ নিজের ফেসবুক পেজে এ বার্তা লেখার পাশপাশি মাঠে সেলিব্রেট করার মুহূর্তের একটি ছবিও পোস্ট করেন। ওয়েবসাইট।