আজ  বুধবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৮

জাতীয় পার্টির আমলে দেশে কোন সন্ত্রাস-জঙ্গি ছিলনা : এমরান হোসেন মিয়া

সোলায়মান লেংটার মাজার জিয়ারত ও পথসভা

M2

মতলব (চাঁদপুর) সংবাদদাতা :
গত বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বদরপুর হযরত শাহ্ সোলায়মান লেংটা (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এমরান হোসেন মিয়া। এসময় তার সাথে স্থানীয় উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

M3

লেংটার মাজার জিয়ারত শেষে সাদুল্লাপুর জাপা নেতা করিম মোল্রা বাড়ি প্রাঙ্গণে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাপার ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এমরান হোসেন মিয়া বলেন, আমাদের মাঠ খুব উর্বর। মাঠের ফসল তুলতে হলে কর্মী দরকার। আগামীতে দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য ছাত্রসমাজ এবং যুবসংহেিত কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। দলকে ক্ষমতায় আনতে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক সাথে কাজ করতে হবে। পুরাতন নতুন সমন্বয় করে নতুন করে কমিটি গঠন করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আগামী দিনে মতলবে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী সংগঠন করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। লেংটার মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে চাঁদপুর-২ আসনে আমাদের কার্যক্রমের পদযাত্রা শুর“ হলো। এমরান হোসেন মিয়া বলেন, জাতীয় পার্টির আমলে দেশে কোন সন্ত্রাস-জঙ্গি ছিলনা। স¤প্রতি দেশে জঙ্গি-সন্ত্রাসের উৎপাত বেড়ে গেছে। জাতীয় পার্টি আবার ক্ষমতায় আসলে যেকোন মূল্যে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস-জঙ্গি মুক্ত করা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিক্ষমতায় থাকাকালীন সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা ছিল। এবং আগামীতে আমাদের দল ক্ষমতায় আসলে সংবাদপত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে।

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জাপা নেতা মিজানুর রহমান, জাতীয় যুবসংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জিশান আহমেদ রিপন, উপজেলা যুবসংহতির সাধারন সম্পাদক প্রভাষক আলমাছ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আজহার মুফতী, ছেঙ্গারচর পৌর জাপার সাবেক সভাপতি আব্দুল হক মিয়া, সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন জাপার সভাপতি মো. করিম মোল্লা, আলাউদ্দিন, জাপা নেতা মাওলানা আবু মুছা, উপজেলা ছাত্রসমাজের সভাপতি প্রভাষক জহিরুল ইসলাম, উপজেলা যুবসংহতির নেতা ইব্রাহিম খলিল, আবু সুফিয়ান, মোহনপুর ইউনিয়ন যুবসংহতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় শ্রমিক পার্টির নেতা আবুল কালাম আজাদ, জাপা নেতা মোশারফ হোসেন, জাপা নেতা তাফাজ্জল হোসেন, মাইনুদ্দিন মাস্টার, ছাত্রনেতা মাইনুদ্দিন, যুবনেতা ফারুক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা পার্টির নেতা ও সার্জেন্ট (অব.) মুক্তার হোসেন প্রমূখ।