আজ  শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নয়া কৌশল অবলম্বন চাঁদপুর চান্দ্রায় মোবাইল ফোনে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ

 

নয়া কৌশল অবলম্বন করে কাউকে বুঝতে না দিয়ে প্রতারণা চালিয়ে জাল জন্মনিবন্ধন তৈরি করে অষ্টম শ্রেণীর তানিয়া(১৬) নামের ছাত্রীকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একই ইউনিয়নের ওমান প্রবাসী আল-আমিনের সাথে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে এই বাল্য বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চান্দ্রা ইউনিয়নের কাজী সাইদুর রহমানের সহযোগী এই বাল্যবিবাহ ভিডিও কলের মাধ্যমে বিদেশ প্রবাসী সাথে বিয়ে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাড়ি গ্রামে নগর বেপারী বাড়িতে এই বাল্যবিবাহ হয়েছে।
জানা যায়, চান্দ্রা ইউনিয়ন এর চৌরাস্তা সংলগ্ন চৌকিদার বাড়ির বাসিন্দা বাদশা মিজির ছেলে দীর্ঘ আট বছর যাবত ওমান থাকেন।
ওমান প্রবাসীকে বিয়ে করানোর জন্য তার বাবা বিভিন্ন জায়গায় মেয়ে দেখার জন্য যায়। পরে চেয়ারম্যান রোডের ঘটক মোখলেসের মাধ্যমে নগরের মালয়েশিয়া প্রবাসী শফিক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়া আক্তারকে দেখেন।
স্কুল ছাত্রীর মায়ের সম্মতিতে অবশেষে বৃহস্পতিবার প্রবাসী ছেলের বাবা বাদসা মিজি লোকজন নিয়ে মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করেন।
ওয়ার্ড মেম্বার সিদ্দিকুর রহমান বেপারীর উপস্থিতিতে অবশেষে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে ভিডিও কলে মোবাইল ফোনে বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।
চাঁদপুর সদর উপজেলার সকল ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র চান্দ্রা ইউনিয়নে প্রতিমাসে গোপনে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি বাল্যবিবাহ হওয়ার ঘটনা ঘটছে।সরকার যেখানে বাল্যবিবাহ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সেখানে প্রতিনিয়ত এই ইউনিয়নে পেশী শক্তি ব্যবহার করে বাল্যবিবাহ হওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বাল্য বিবাহ বিবাহ হওয়ার বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু পাটোয়ারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এলাকায় অনেক সময় গোপনে কাউকে না জানিয়ে বাল্যবিবাহ ঘটনা ঘটে। তবে যদি বাল্যবিবাহ হয়ে থাকে তাহলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা মহোদয়কে অবহিত করেন, তিনি বাল্যবিবাহ বন্ধ লক্ষ্যে এর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।