আজ  সোমবার, ১ জুন, ২০২০

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্য

 

 

চাঁদপুরে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় গত ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার মা ইলিশ মাছ ছিনতাইকালে নৌ ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মী গণধোলাই স্বীকার শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা জানিয়েছেন নৌ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য হুমায়ূন আহমেদ, ও লিটন দে। তারা তাদের প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেছেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান চলাকালীন সময় গত ২৯ অক্টোবর রাতে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগের দুই কর্মী মাছ নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় পড়ে আহত হয়।
নৌ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য হুমায়ূন আহমেদ ও লিটন দে ঘটনার দিন রাতে তার এক ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে রাস্তায় ছাত্রলীগের দুই নেতা আহত হওয়ার দৃশ্য দেখে।
এ সময় নির্জন স্থানে তাদেরকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।তাৎক্ষণিক তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে খবর পেয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু নেতাকর্মীরা এসে বুঝে উঠার আগেই সন্দেহ প্রবন হয়ে দুজনকে হেনেস্থা করার চেষ্টা করে।
দুই সাংবাদিক খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রকৃত ঘটনা জেনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সবাইকে বুঝিয়ে শান্ত করে।
ঘটনার পরই নিজেদের কর্মস্থলে আসার পর একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন অপপ্রচার চালাতে শুরু করে।
ঘটনাটি আমরা ফায়ার সার্ভিসের সদস্য দুজনে করেছি বলে অপবাদ ও অপপ্রচার করতে থাকে।
কিন্তু এর প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান চলাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের দুই নেতা মা ইলিশ মোটরসাইকেল যোগে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন তাদেরকে ধাওয়া করে। এসময় তারা পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা দেখে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যায়।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে তাদের সহযোগিতা করতে গিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ভুল বুঝে আমাদের উপর দোষ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পরে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চায়। কিন্তু কিছু স্বার্থন্বেষী মহল ঘটনার দুই দিন পর সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশ করে। যা প্রকাশিত সংবাদের একাংশ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সহযোগিতার হাত বাড়াতে গিয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার দিন থাকা প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবে। তাই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।