আজ  সোমবার, ২০ মে, ২০১৯

মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ ক্লিন ইমেজের এক ব্যতিক্রম জনপ্রতিনিধি

MANJUR

বিশেষ প্রতিনিধি :  চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ। ছাত্রজীবনে রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট হয়েছেন এবং সমাজসেবায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। যার ফলস্বরূপ প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তারপর গতানুগতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্যতিক্রম নানা কর্মকাণ্ডে নিজের ভাবমূর্তি ক্রমশ: উজ্জ্বল করে তোলেন। জনমনে প্রচলিত নানা ভুল ধারণাকে অসার প্রমাণ করেন।
মতলব উত্তর উপজেলার চরমাছুয়া গ্রামে একটি শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মনজুর আহমদ। তাঁর বাবা আলহাজ্ব এএসএম হাফিজ উল্লাহ, যিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। মনজুর আহমদ তাঁর পিতার মতো চাকুরিজীবী না হয়ে ব্যবসায়ী হয়েছেন এবং নিজের শ্রম, মেধা ও অর্থের বৃহদাংশ রাজনীতির মাধ্যমে সমাজসেবায় ব্যয় করে দাদার মতো জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। দাদা মরহুম আলহাজ্ব আবুল হাসান মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট (বর্তমান চেয়ারম্যান) পদে সুনামের সাথে যেমন দায়িত্ব পালন করেন, ঠিক তেমনি বৃহৎ পরিসরে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদে মনজুর আহমদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দাদা চাঁদপুর শহরস্থ পুরাণবাজার এলাকার নূরিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন বলেই পৌত্র বা নাতি হিসেবে সম্ভবত শিক্ষার প্রতি তাঁর অনেক দুর্বলতা। তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করে সামর্থ্য অর্জন করা মাত্রই দরিদ্র, অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান আর্থিক সহায়তা নিয়ে। মনজুর আহমদ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সহায়তায় এবং নিজস্ব অর্থায়নে অভূতপূর্ব কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে নিজের বিদ্যানুরাগকে ছড়িয়ে দেন নিজ উপজেলার সর্বত্র। এছাড়াও তিনি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কোরআন শিক্ষার প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেজন্যে তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃক পেয়েছেন শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি।
উল্লেখ্য, মনজুর আহমদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করেই তাঁর অর্জিত আয়ের একটি অংশ শুধু প্রাথমিক শিক্ষা নয়, মাধ্যমিকসহ শিক্ষার অন্য সকল ক্ষেত্রে ব্যয় করা শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশে বিতর্কে প্রথম শিক্ষাবৃত্তি প্রবর্তক। তিনি প্রতি বছর চাঁদপুর জেলার সেরা বিতার্কিকদেরকে উক্ত বৃত্তিসহ দুঃস্থ, অসহায় অনেক শিক্ষার্থীকে অকৃপণভাবে তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে সহায়তা করে চলছেন। বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং বন্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নিরসন সহ শিক্ষার মানোন্নয়নে যেখানেই কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই আন্তরিকতার সবটুকুন ঢেলে দিয়েছেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ মতলব উত্তরের দুটি বিখ্যাত মাধ্যমিক বিদ্যালয় যথাক্রমে ছেঙ্গারচর মডেল হাইস্কুল ও চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি পদে দায়িত্বপালনে সুনামের পরিচয় দিতে পেরেছেন।  এছাড়াও বর্তমানে তিনি দায়িত্বপালন করছেন ছিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে।
তিনি চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সমাজসেবা মূলক কাজ করে যাচ্ছেন।