আজ  বুধবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৮

মিয়ানমার রাখাইনে সহিংসতা বন্ধ না হলে মাথাচাড়া দিতে পারে আইএস

Rohinga-Relief--(10)20171001175257 julie-bishop20171001180431

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ না হলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মাথাচাড়া দিতে পারে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস, এমনই শঙ্কার কথা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ।

একটি টেলিভিশন সাক্ষাতকারে বিশপ বলেন, আমরা সত্যিই উদ্বিগ্ন, আসলে কী ঘটে চলেছে রাখাইনে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের অব্যাহত নির্যাতন করা হচ্ছে। তারা প্রাণ বাঁচাতে বাধ্য হয়েই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছেন। এমন সব অসহায় মানুষকে ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস’সহ অন্যান্য উগ্র সংগঠন বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। যা পশ্চিমাদের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

সংকট সমাধানের বিষয়ে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নানামাত্রিক শঙ্কার কারণে দ্রুতই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হতে হবে। সেজন্যে রাজনৈতিক ও কূটনীতিক সমাধানের পাশাপাশি মানবিক দুর্যোগরোধে আমাদের সবার দৃষ্টি দিতে হবে।

এ সময় তিনি মিয়ানমারে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূতকে রাখাইনে কী ঘটছে সেজন্য পরিদর্শনের নির্দেশনা দেন।

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশকে আরও সহায়তা করার কথাও জানান তিনি।

জুলি বিশপ বলেন, আমি আগেই জাতিসংঘসহ মিয়ানমারের প্রতিনিধিদের বলেছি তারা যেন দ্রুতই রাখাইনে নির্যাতন বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়। অস্ট্রেলিয়া মনে করে জাতিসংঘের অধীনে স্বাধীন একটি তদন্ত সংস্থা করতে হবে, যারা কাজ করবে রাখাইনে কী ঘটছে সেটির নির্ণয়ে।

এ জন্য দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি অনুমতি দেবেন বলেও আশা রাখেন অজি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বলেছে, মিয়ানমারে যা চলছে তা ‘জাতিগত নিধন’। এর জন্য সু চির ভূমিকাকে দায়ী করা হচ্ছে। সরকারের স্টেট কাউন্সেলর ও শান্তিতে নোবেলজয়ী হয়েও তিনি রোহিঙ্গা নিধনে সায় দিচ্ছেন। কথা বলছেন সামরিক জান্তার ভাষায়।

জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) বলছে, সহিংসতার শিকার হয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা পাঁচ লাখের বেশি। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা সাড়ে ছয় লাখ ছাড়িয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। সহিংসতায় প্রাণ গেছে তিন হাজারের