আজ  রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পেরঅঞ্চল ভিত্তিক বাঁধ পুর্নবাসন ও নদী/খাল পুনঃখনন শীর্ষক প্রকল্পের আলোচনা সভা

ddd

জাকির হোসেন বাদশা,মতলব (চাঁদপুর) সংবাদদাতাঃবাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কর্তৃক অঞ্চল ভিত্তিক বাধ পুর্নবাসন ও নদী/খাল পুনঃখনন শীর্ষক প্রকল্পের ডিপিপি’র প্রনয়ন প্রক্রিয়া করণ ও অনুমোদন কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের মতলব উত্তর উপজেলার বাপাউবো’র “মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প” এর অন্তর্ভুক্ত ক্ষতিগ্রস্থ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের মেরামত ও পুনবাসন; সেচ ও নিষ্কাষন খালের পুর্ণঃখনন এবং সেচ খালের মেরামত ও পুর্ন:বাসন অর্ন্তভূক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত পানি সম্পদ প্রকল্পটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় ¯^ার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্গ স্টেক হোল্ডারর্স অংশ গ্রহণ “কমিউনিটি ইনভলভমেন্ট প্লানিং এন্ড ইম্পিলিমেনটেশন’’ লক্ষ্যে গত ৪ মার্চ সকাল ১০টায় কালীপুর পাম্প স্টেশন প্রাঙ্গনে মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের প্রতিটি ডব্লিউএমজি ও ডব্লিউএমএ এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বার এবং পাউবো’র সংশিষ্ট কর্মকার্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো: নিজামুল হক ভূইয়া। তিনি বক্তব্যে বলেন, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পটি আমি ভালো করে সাজাতে চাই। যদি আপনারা সকলে আমাদের সহযোগিতা করেন তাহা হলে আমরা প্রকল্পের সমস্যাগুলো রয়েছে আমরা অচিরেই সমাধান করার চেষ্টা করব। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আতাউর রহমান, পানি ব্যবস্থাপনা এসোসিয়েশনের সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক সরকার মো: আলা উদ্দিন, ১০ নং ফতেপুর পুর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, বাগান বাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া, সাদুল্যাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মুন্সী, ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, মতলব উত্তর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী খোকন, কৃষক প্রতিনিধি শহীদ উল্লাহ মাষ্টার, মোজাম্মেল হক, ছামছুদ্দিন খান, শরীফ উদ্দিন, ছাত্তার মিয়া, দুলাল মিয়া, খাজা মিয়া, আয়েত আলী, আবদুল আউয়াল, মাহবুব আলম প্রমুখ। এছাড়া এসও জামাল হোসেন, রুবেল, সালাউদ্দিনসহ পানি ব্যবস্থাপনা দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নিজামুল হজ ভূইয়া বলেন, প্রকল্পের সাড়ে ১৭ হাজার হেক্টর ভূমির মধ্যে কমান্ড এরিয়া ৬৭০০ হেক্টর ভূমি। কৃষক সেচ সুবিধা ভোগ করছে ৫৭০০ হেক্টর। বাকী আছে ১০০ হেক্টর।