আজ  মঙ্গলবার, ১৯ জুন, ২০১৮

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মাদকের গডফাদার ডন কারো ছাড় হবে না

hasina_parvez
অনলাইন সংস্করণ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, মাদক সমাজে একটা ব্যাধির মতো। যে যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, গফডাদার কিংবা ডন বা বাহিনীর লোক- মাদকে জড়িত কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কে কার ভাই, আত্মীয় সেটি দেখা হবে না। আমি যখন যা ধরি, ভালো করেই ধরি। যাকে ধরি ছাড়ি না। আর এ অভিযানে নিরীহ কেউ হয়রানির শিকার হয়নি। তবে খুব স্বাভাবিক যে এই ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটতেই পারে। তবে অভিযানটাও হঠাত্ করে শুরু হয়নি।

 

গতকাল বুধবার বিকালে গণভবনে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরের অর্জন ও সফলতা তুলে ধরতে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সম্প্রতি তার দু’দিনের ভারত সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও প্রশ্নোত্তর পর্বে ঘুরে ফিরে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান মাদকবিরোধী অভিযান, আগামী নির্বাচন উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীও সাবলিলভাবে সাংবাদিকদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেন।

 

চলমান মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে তার সরকারের কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মাদকের বিষয়ে আপনারাই (সাংবাদিক) পত্র-পত্রিকায় লিখেছেন এটা। মাদকের কারণে সন্ত্রাস, মেয়ে-ছেলেরা মা-বাবাকে খুন পর্যন্ত করছে। আপনারা কী চান অভিযান চলুক, নাকি বন্ধ হয়ে যাক। তিনি বলেন, খুব স্বাভাবিক যে, এই ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু একটা ঘটনা ঘটতেই পারে। নিরপরাধ কেউ এই অভিযানের শিকার হচ্ছে না দাবি করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যে কয়টা ঘটনা হয়েছে, মনে হয় না একটাও নিরীহ ব্যক্তি শিকার হয়েছে। গণমাধ্যমে গ্রেফতারের ঘটনাগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু নিহতদের ঘটনাগুলোকেই সামনে আনা হচ্ছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  কোনো পত্র-পত্রিকায় কত গ্রেফতার হয়, তা বলা হয় না। যখন কোথাও পুলিশ কিংবা র্যাব অভিযানে যায়, আর সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে, এতে যদি কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব। আজ ছেলে মাকে, বাবাকে হত্যা করছে মাদকের কারণে। এ ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটে। চলমান অভিযানে কোনো গডফাদারও রেহাই পাবে না ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কাকে গডফাদার বলছেন? যে যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমি যখন যা ধরি, ভালো করেই ধরি। এ অভিযান হঠাত্ই শুরু হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য নিয়ে, নজরদারী চালিয়ে এরপরই এ অভিযান চালানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের উদ্দেশ্যে করে শেখ হাসিনা বলেন, যখন সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান করতে গেছি, তখনও একই প্রশ্নের সন্মুখীন হয়েছি। সন্ত্রাস আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। মাদকবিরোধী অভিযান যেটা চলছে, সারাদেশের মানুষ তাতে স্বস্তি পাচ্ছে। এটা মানুষেরও দাবি। আজকে সমাজে একটা হাহাকার এই মাদক নিয়ে, তার বিরুদ্ধে কী অভিযান চালানো যাবে না? ভেজালবিরোধী-মাদকবিরোধী অভিযান বন্ধ করে দেই? তাহলে কি সমাজ খুব ভালো থাকবে?

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানে যেভাবে লেখা রয়েছে সেভাবেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। আর নির্বাচনকালীন সরকারও সংবিধান অনুযায়ী হবে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচন ঠেকানোর নামে জ্বালাও-পোড়াওয়ের চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই অপকর্ম যারা করেছে, তারা নির্বাচনে আসলো কী আসলো না, এটা নিয়ে এত হা-হুতাশ কেন? খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোর্ট মুক্তি না দিলে আমি কি জেলের তালা ভেঙে তাকে নিয়ে আসবো? তিনি বলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার দায়ে কোর্ট তাকে সাজা দিয়েছে। উনার মুক্তি চাইতে হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাক। তিনি মুক্তি না দিলে আমাদের ওপর দোষ দিতে পারে।’

 

ভারতের কাছে প্রতিদান চাওয়া নিয়ে দেশটির একটি পত্রিকা প্রকাশিত রিপোর্ট সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার চাওয়ার অভ্যাস কম, দেওয়ার অভ্যাস বেশি। আর আমি কখনো প্রতিদান চাই না। আর আমরা ভারতকে যেটা দিয়েছি তা সারাজীবন তারা মনে রাখবে। সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, এতে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কথা হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়েছি বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধনে, সেদিকেই আমাদের গুরুত্ব ছিল। আর তিস্তা চুক্তির বিষয়ে আমাদের দু’দেশের যৌথ নদী কমিশন আছে, সেখানে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ যা দিয়েছে তা তারা সারাজীবন মনে রাখবে। প্রতিদিনের বোমাবাজি, গুলি; আমরা কিন্তু ওদের শান্তি ফেরত দিয়েছি। এটা তাদের মনে রাখতে হবে। এ সময় তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান, বিপুল সংখ্যক গোলাবারুদ উদ্ধার এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাংলাদেশের মাটি ব্যবহারের সুযোগ প্রদানের বিষয়টিও তুলে ধরেন।’

 

নির্বাচনের আগে বিকল্প জোট গঠনের প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা নির্বিচারে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে, হত্যা-সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে তাদেরকে (বিএনপি-জামায়াত) আর দেশের জনগণ কোনোদিন ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই যদি বিকল্প কোনো জোট আসে আমাদের তো কোনো আপত্তি নেই।

 

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে একজন সিনিয়র সাংবাদিক-সম্পাদকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে অনেক সমস্যা থাকে। এবার তো আমি তিস্তা নদী নিয়ে কথা বলতে যাইনি, শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। তিনি পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি আমাদের পানি ভিক্ষা চাইতেই হয়, তাহলে তিস্তা ব্যারেজ করলেন কেন? গঙ্গা ব্যারেজ হয়েছে, সেখানে আমরা প্রতিবাদ করেছি, পানি নিয়েও এসেছি। আমরা সকল নদী খনন করে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করছি। আগামীতে ক্ষমতায় আসতে পারলে পান্থপথসহ যেসকল খাল বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলোতে আবার খাল নির্মাণ করবো, খালের ওপর রাস্তা করে দেব। ক্ষমতায় যেতেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর- বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া-খালেদা জিয়ারা কী কমবার ভারতে গেছেন? জিয়াউর রহমান তো অবৈধ ক্ষমতাকে টিকে রাখতে দু’বছরের মধ্যে ভারতে গিয়েছিলেন। জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ারা তো গঙ্গা-তিস্তাসহ কোনো সমস্যারই সমাধান করেনি। আজ বিএনপি নেতারা তিস্তা নিয়ে কথা বলেন। অথচ তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গা পানিবণ্টন নিয়ে কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই গঙ্গা চুক্তি, শান্তিচুক্তি, ছিটমহল বিনিময়, সমুদ্রসীমা অর্জনসহ অধিকাংশ সমস্যার সমাধান করেছে।

 

সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে একজন জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ডি-লিট ডিগ্রি অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য এখন থেকেই প্রক্রিয়া চালাতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের প্রক্রিয়া চালানোর আমার কোনও ইচ্ছা নেই, আর লবিস্ট রাখার মতো আর্থিক সামর্থ্যও আমার নেই। আর সামর্থ্য থাকলেও এসব আমি সমর্থন করি না।

 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রীসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভারতের আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া ডি-লিট ডিগ্রিটি মঞ্চের মূল টেবিলে রাখা হয়।

 

বিন্দু বিন্দু থেকেই সিন্ধু তৈরি হয়

 

ছোট ছোট দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিন্দু বিন্দু থেকেই সিন্ধু তৈরি হয়। তারা ছোট ছোট দল এক হচ্ছে, এটা তো ভালো। তবে জিরো প্লাস জিরো ইজিগোলটু জিরো।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পান্থপথ কিন্তু একটা খাল, ভবিষ্যতে যদি ক্ষমতায় আসতে পারি, ওই রাস্তাগুলোর ওপরে বক্স কালভার্ট ভেঙে দিয়ে খালের পাশ দিয়ে রাস্তা করে দেবো। নিচে দিয়ে নৌকা যাবে।’ বদরুদ্দোজা চৌধুরী সম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বদু (বদরুদ্দোজা চৌধুরী) কাকার কি মনে নাই জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতা নিয়েছিলেন, তখন যে হ্যাঁ/না ভোট দিয়েছিলেন, সেই নির্বাচনটা উনি কেমন দেখেছিলেন? এদের মুখে ভোটের কথা শুনলে, পাগলেও হাসবে।’ খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বদু কাকা এক সময় রেললাইন দিয়ে দৌড় দিয়ে পালিয়েছিল, সেই এখন খালেদা জিয়ার মুক্তি চান। কথায় আছে ‘মেরেছো কলশির কানা, তাই বলে কী প্রেম দেবো না?’

 

ভারত সফরের মধ্যদিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছে

 

লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সাম্প্রতিক ভারত সফরের মধ্যদিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছে। বলেন, ‘আমি মনে করি এই সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি বলেন, ‘শান্তিনিকেতনে স্থাপিত বাংলাদেশ ভবন উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।’ শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে গত ২৫ ও ২৬-এ মে পশ্চিমবঙ্গ সফর করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর একান্ত বৈঠক হয়। এ সময় উভয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

পৃথিবীর সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পেয়ে থাকেন

 

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনে মাশরাফি-সাকিবের নির্বাচনের প্রসঙ্গটি উঠে আসে। তারকারা রাজনীতিতে এলে তৃণমূলের রাজনীতিবিদদের নির্বাচনে আসাটা বাধাগ্রস্ত হবে কিনা একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পেয়ে থাকেন। এটা নতুন কিছু নয়। এখন কারও যদি আকাঙ্ক্ষা থাকে নিশ্চয়ই, তাঁরা আমাদের দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, খেলাটাকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। পৃথিবীর সব দেশেই এটা দেখা যায়। তার মানে এই নয় যে তৃণমূলের নেতারা মনোনয়ন পান না। আমরা সবাই তৃণমূল থেকে এসেছি। স্কুলজীবন থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। আমরা সেলিব্রেটি হয়ে আসিনি। কাজেই আমরা তো আছিই।’