আজ  বৃহঃবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

হামলার শিকার হলেও মাঠ ছাড়বো না: ইশরাক

 

হামলার শিকার হলেও নির্বাচনী মাঠ না ছাড়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদপ্রার্থী ইশরাক হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেছেন, ‘আমি যদি হামলার শিকার হই কিংবা আহত হই তাও মাঠ ছাড়ব না। কারণ আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।’
শনিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে পুরান ঢাকার আরকে মিশন রোডের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ শাহজাহান প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বিএনপির প্রার্থী। ইশরাকের সঙ্গে তার ছোট ভাই ইরফান হোসেনও ছিলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) রাত থেকে বেশ কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর শুনেছি। কোথাও আওয়ামী লীগের লোকজন ভোট কেন্দ্রে ঢুকেছে। আবার অনেক কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করেছে। জনগণ তা রুখে দিয়েছে।’
আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহমান ভোট কেন্দ্র দখল করার হুমকি দিয়েছেন জানিয়ে বিএনপি প্রার্থী বলেন, ‘তাঁর এটা বলা ঠিক হইনি। এতে সহিংসতা তৈরি হয়। আমি আজ সকালে আল্লাহর নাম স্বরণ করে, আমার বাবাকে স্বরণ করে মাঠে নেমেছি। ভোটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি ভোট কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাব।’
ইভিএম নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, ‘ইভিএমে ভোট দিয়েছি, আমি যদি জয়ীও হই তবুও ইভিএম নিয়ে আমাদের যে বক্তব্য তা পাল্টাবে না। কারণ ইভিএমের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে যে কথা বলেছি আমরা ইভিএমের ব্যাপারেই সেই অবস্থানে আছি। আমি জীবনে প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।’
শনিবার সকাল আটটায় শুরু হয়েছে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ঢাকা উত্তরে ৩৬টি ও দক্ষিণে ৫৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবারের দুই সিটিতে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে বেড়েছে ভোটার ও কেন্দ্রের সংখ্যাও। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৩ জন মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। আরও রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা, ইসলামি আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির  (এনপিপি) বাহারানে সুলতান বাহার।