আজ  শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮

২৫ মে শান্তি নিকেতনে হাসিনা-মোদীর বৈঠকে থাকবেন মমতা

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ২৫ মে পশ্চিমবঙ্গের শান্তি নিকেতনে অনুষ্ঠেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে মতৈক্য থাকলেও মমতা ব্যানার্জির আপত্তির কারণে তিস্তা চুক্তি সই হচ্ছে না।
 Parvez Patwary_1
সূত্র জানায়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ২৫ মে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্বভারতীর আচার্য নরেন্দ্র মোদী। ওই দিনই শান্তিনিকেতনে ‘বাংলাদেশ ভবন’-এর উদ্বোধন করতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশ্ব ভারতী সূত্রের খবর, সমাবর্তনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। পরে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকেও। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত বিশ্বভারতীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মমতা। তিনিও উপস্থিত থাকবেন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে।
সূত্র জানায়, ওইদিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর বৈঠক হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মমতা ব্যানার্জিও। এখন পর্যন্ত মমতা ব্যানার্জির আপত্তির কারণে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে রয়েছে। দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মমতার উপস্থিতিতে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হলে তা নতুন আশার আলো দেখাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তৃণমূল সূত্রের খবর, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই মঞ্চে কোনো অনুষ্ঠানে দীর্ঘদিন যোগ দেন না মমতা ব্যানার্জি। গত বছর এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের সময়ও মমতা ব্যানার্জির যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মমতা ব্যানার্জি দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্যে দেওয়া নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন। কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। তবে তাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থা কাটেনি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ মে শান্তি নিকেতন যাবেন। পরের দিন যাবেন আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে তাকে সম্মানিক ডি. লিট দেওয়া হবে।