আজ  শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

৯৯৯ ফোন করে অবশেষে রক্ষা চাঁদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণীর ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু পাটোয়ারীর হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণীর মাদ্রাসার ছাত্রীর বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সচিব ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠায়ে বিয়ে বন্ধ করে।
জানা যায়, মদনা গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ড প্রবাসী আব্দুল রবের মেয়ে তানিয়া আক্তার সাথে ৯ নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নের জনৈক ছেলের সাথে বিয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
ছেলের বাড়ির লোকজন হাইস গাড়ি নিয়ে মেয়ের বাড়িতে আসে।
এসময় খবর পেয়ে স্থানীয় সচেতন এক ব্যক্তি ৯৯৯ ফোন করে বাল্য বিয়ের বিষয়টি প্রশাসনকে জানায়।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার নির্দেশে ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু পাটোয়ারী ইউপি সচিব বিল্লাল হোসেন পাটোয়ারী ও গ্রামপুলিশ হারুনকে মেয়ের বাড়িতে পাঠায়।
পরে মেয়ের পরিবারের লোকজন বাল্যবিয়ে দিবে না মর্মে ইউপি সচিবের কাছে অঙ্গীকারনামা দিয়ে স্বাক্ষর দেন।
চাঁদপুরে সদর উপজেলার বাল্যবিয়ে দিন দিন বেড়েই চলছে। কোনভাবেই বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছিল না।সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়ন ও চান্দা ইউনিয়নে মেম্বার ও কাজীর সমন্বয় গোপনে বাল্য বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে। অবশেষে এলাকার সচেতন  ব্যক্তি ৯৯৯ ফোন করলে বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়।
ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু পাটোয়ারী জানায়, ১৩/১৪ বছরের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বাল্যবিবাহ হওয়ার খবর শুনে জনৈক ব্যক্তি  ৯৯৯ ফোন করে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ঘটনাস্থলে ইউপি সচিব ও গ্রামপুলিশকে পাঠিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়। বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।