আজ  শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

একনেকে ২৭৪৪ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় দুই হাজার ৭৪৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার নয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা একনেক সভায় যোগ দেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় অংশ নেন। তিনি এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপ লাইন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প ও ‘ঘোড়াশাল তৃতীয় ইউনিট রি-পাওয়ারিং (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘নওগাঁর ধামইরহাট, পত্নীতলা ও মহাদেবপুর উপজেলায় তিনটি প্রকল্পের পুনর্বাসন এবং আত্রাই নদীর ড্রেজিংসহ তীর সংরক্ষণ’প্রকল্প ও ‘দিনাজপুর শহর রক্ষা প্রকল্পের পুনর্বাসন এবং দিনাজপুর শহর সংলগ্ন ঢেপা ও গর্ভেশ্বরী নদী সিস্টেম ড্রেজিং/খনন’ প্রকল্প।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পাঁচপীর বাজার-চিলমারী উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কে তিস্তা নদীর ওপর ১৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, ‘রূপগঞ্জ জলসিঁড়ি আবাসন সংযোগকারীর সড়ক উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প, ‘জামালপুর ও শেরপুর জেলার পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’প্রকল্প ও ‘চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন ডাকাতিয়া নদীর ওপর সেতু নির্মাণ’প্রকল্প এবং নৌমন্ত্রণালয়ের ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব গ্লোবাল মেরিটাইম ডিসট্রেস অ্যান্ড সেফটি অ্যান্ড ইনটেগরেটেড মেরিটাইম নেভিগেশন সিস্টেম (ইজিআইএমএনএস)’ প্রকল্প।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন ভবিষ্যতে সেতু নির্মাণের সময় এর প্রয়োজনীয়তার বিষয় ভালোভাবে দেখতে হবে। নদীতে যত্রতত্র সেতু নির্মাণ করলে নদী ভরাট হয়ে যাবে। এ বিষয়টি লক্ষ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।