আজ  শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

চাঁদপুরে ইভিএম পদ্ধতিতে  হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ,

চাঁদপুরে ইভিএম পদ্ধতিতে  হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ  চলছে।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সকাল ৯ টা থেকে ভোট শুরু হয়।
এই নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী, তাদের কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনাসহ নানা হিসেব-নিকেশ চলছে। কারণ, এই প্রথম চাঁদপুর জেলার মধ্যে হাইমচরে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চলছে।
সকাল থেকেই মহিলা ও পুরুষ ভোটাররা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে দেখা যায়।
পুলিশ, বিডিআর ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই দায়িত্বে রয়েছে।
এবারের হাইমচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, ধানের শীষ নিয়ে বিএনপির ইসহাক খোকন এবং আনারস প্রতীক নিয়ে আব্দুল মোতালেব জমাদার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
হাইমচরে মোট ভোটার ৮০ হাজার ২৩৪ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪১ হাজার ৪১৭ জন এবং নারী ভোটার ৩৮ হাজার ৮১৭ জন। হাইমচরের ৬টি ইউনিয়নের ৩১টি কেন্দ্রে এই প্রথম ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোটাররা তাদের ভোটারধিকার প্রয়োগ করা হয়েছে। ভোট কক্ষ রয়েছে ২শ’টি।
শতাধিক বছরের বেশি ২ বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পেরে তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
তারা বলেন অনেক সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হচ্ছে। নিজের পছন্দমত প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে অনেক আনন্দিত।
অন্যভাবে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরছি কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি।

চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সবধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নাই সুষ্ঠুভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন।
চাঁদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহেদ পারভেজ চৌধুরী জানান, সবগুলো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরেও পুলিশের সঙ্গে বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড এবং আনসার ব্যাটেলিয়ন সদস্যরা কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এতে কোনো ধরনের অনিয়ম এবং সহিংসতামুক্ত পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্ভব হবে।