আজ  শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

চাঁদপুরে তিন কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণের ঘটনায় আসামীকে গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে তিন কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণ করার পর সর্বস্ব লুট করে নেওয়ার অভিযোগে আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে।
সোমবার রাতে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ও ডিবির ওসি সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন ও ঘটনা সম্পর্কে জানেন।
এসময় প্রশাসন লম্পট ধর্ষণকারী মিলনকে আটক করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ও মহিলা মেম্বারের স্বামী বিল্লাল হোসেন বেপারির পরামর্শে লম্পট মিলন এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছে।

এদিকে অচেতন মুমূর্ষ অবস্থায় তিন মাদ্রাসার ছাত্রীকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও একজনের জ্ঞান না ফেরায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কিশোরীর মা খাদিজা বেগম জানান, দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় যাওয়ার কারণে সেই সুযোগে পাশের ঘরের বাচ্চু মিয়ার বকাটে ছেলে মিলন রবিবার রাতে ঘরে আসে। এ সময় বখাটে মিলন কোকাকোলার ভিতরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাদেরকে খাওয়ার জন্যে জোর করে।
ঘরের ভিতর দুই মেয়ে ও ভাসুরের মেয়ে সহ ৩ জন নেশা দ্রব্য মেশানো কোকাকোলা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে।
বখাতে মিলন সুযোগ বুঝে সোমবার ভোর রাতে ঘরের  সিঁধ কেটে গর্ত করে ভিতরে ঢুকে তিনজনকে ধর্ষণ করে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু জাহান আলী কালু পাটোয়ারী জানান, কোকের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তিন মেয়েকে খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেছে। ঘটনাটি জানার পর তাদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনা পুলিশ সুপারকে অবহিত করার পর তিনি রাত দশটায় ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন। দেশের প্রচলিত আইনে এ ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।
পুলিশ জানায়, কিশোরীদের অচেতন করে ধর্ষণের ঘটনা অভিযুক্ত মিলনকে গ্রেপ্তার সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হবে। এ ঘটনায় মিলনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে এ ঘটনাটি যে করেছে সেই ধর্ষণকারীর মিলন সহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান সচেতন মহল।

শাহরিয়ার খান কৌশিক, মো,০১৭১৩৬৮৮৯২০