আজ  শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০

চাঁদপুরে তিন কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা, চুরি হওয়া মোবাইল সহ আটক ১

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে তিন কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণ করার পর সর্বস্ব লুট করে নেওয়ার অভিযোগে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কিশোরীর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ঘটনার পরই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মোবাইল সহ পশ্চিম মদনা গ্রামের আরসাদ গাজীর ছেলে সোহেল গাজি(১৮)কে আটক করে।
এদিকে মূল পরিকল্পনাকারী ও অভিযুক্ত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাচ্চু মিয়ার বকাটে ছেলে মিলন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
মিলনের সহযোগী মোবাইল সহ আটক সোহেল গাজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুলিশের কাছে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন ও এই ঘটনার সাথে তারা মোট ৫ জন জড়িত রয়েছে বলে জানান।
এদিকে অচেতন হওয়া তিন মাদ্রাসার ছাত্রীকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তার অবস্থা এখন উন্নতি হয়নি।

গত সোমবার ভোর রাতে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ও ডিবির ওসি সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন ও ঘটনা সম্পর্কে জানেন।
কিশোরীর মা খাদিজা বেগম জানান, দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় যাওয়ার কারণে সেই সুযোগে পাশের ঘরের বাচ্চু মিয়ার বকাটে ছেলে মিলন রবিবার রাতে ঘরে আসে। এ সময় বখাটে মিলন কোকাকোলার ভিতরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাদেরকে খাওয়ার জন্যে জোর করে।
ঘরের ভিতর দুই মেয়ে ও ভাসুরের মেয়ে সহ ৩ জন নেশা দ্রব্য মেশানো কোকাকোলা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে।
বখাতে মিলন সুযোগ বুঝে সোমবার ভোর রাতে ঘরের  সিঁধ কেটে গর্ত করে ভিতরে ঢুকে তিনজনকে ধর্ষণ করে।

গত সোমবার ভোর রাতে চান্দ্রায় সিঁধ কেটে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ঘটনার পরে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, চাঁদপুর মডেল থানার ওসি ও ডিবির ওসি সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন ও ঘটনা সম্পর্কে জানেন।

কিশোরীর স্বজনরা জানান, মেয়েদের বাড়িতে রেখে তার মা খাদিজা বেগম অসুস্থ স্বামীকে দেখতে ঢাকায় যাওয়ার কারণে সেই সুযোগে পাশের ঘরের বাচ্চু মিয়ার বকাটে ছেলে মিলন রবিবার রাতে ঘরে আসে। এ সময় বখাটে মিলন কোকাকোলার ভিতরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাদেরকে খাওয়ার জন্যে জোর করে।
ঘরের ভিতর দুই মেয়ে ও ভাসুরের মেয়ে সহ ৩ জন নেশা দ্রব্য মেশানো কোকাকোলা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে।
বখাতে মিলন সুযোগ বুঝে পরিকল্পিতভাবে সোমবার ভোর  রাতে বৈদ্যুতিক মিটারের তার কেটে লাইন বিচ্ছিন্ন করে ঘরের  সিঁধ কেটে গর্ত করে ভিতরে ঢুকে তিনজনকে ধর্ষণ করে। এ সময় মিলনের সাথে তার আরও ৪ জন সহযোগী ছিল।
আমরা এই ধর্ষণকারী মিলনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানাই আর যাতে এই ধরনের ঘটনা এই এলাকায় না ঘটতে পারে সে জন্য প্রশাসনের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করি।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু জাহান আলী কালু পাটোয়ারী জানান, কোকের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তিন মেয়েকে খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেছে। ঘটনাটি জানার পর তাদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনা পুলিশ সুপারকে অবহিত করার পর তিনি রাত দশটায় ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন। দেশের প্রচলিত আইনে এ ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।

শাহরিয়ার খান কৌশিক, মো,০১৭১৩৬৮৮৯২০