আজ  শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

চাঁদপুরে ৭৭হাজার গলদা চিংড়ি পোনা জব্দ নদীতে অবমুক্ত

চাঁদপুর হরিনা নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭৭ হাজার পিস এগারটি ড্রাম বোঝাই গলদা চিংড়ির পোনা জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার ভোরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব রশিদ এর উপস্থিতিতে নৌ পুলিশের ইনচার্জ হাসনাত জামান জব্দকৃত পোনাগুলো মেঘনা নদীতে অবমুক্ত করেন।
ভোর রাতে নৌ পুলিশের ইনচার্জ হাসনাত জামান এর নেতৃত্বে এএসআই রফিক হরিনা ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায়।
এ সময় গলদা চিংড়ির পোনা পাচারকারী সদস্যরা বাস থেকে এগারটি ড্রাম নামিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে নৌ পুলিশ এগারটি ড্রাম বোঝাই ৭৭ হাজার গলদা চিংড়ি পোনা সহ মহিউদ্দিন নামে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে হরিনা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে।
পরে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তার নির্দেশে সন্দেহভাজন মহিউদ্দিনকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। জব্দকৃত গলদা চিংড়ি পোনা মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। পাচারকারীরা এই সকল পোনা চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী থেকে সংগ্রহ করে খুলনায় বিভিন্ন হ্যাচারিতে বিক্রি করে।
হরিনা নৌ পুলিশের ইনচার্জ হাসনাত জামান জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে হরিণা ফেরিঘাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবাহী বাসের পাশে রাখা ১১টি ড্রাম যাই ৭৭হাজার গলদা চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে জেলা কর্মকর্তার নির্দেশে সেই মাছগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে একটি সূত্র জানায়, সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেশকিছু চক্র সাগর ও নদী থেকে গলদা চিংড়ির পোনা অবৈধভাবে ধরে সেগুলো খুলনায় ফিশারিতে বিক্রি করে। দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি হরিণা ফেরিঘাট ও মাওয়া ফেরিঘাট দিয়ে এই গলদা চিংড়ি মাছ পাচার করে আসছে। এর পূর্বে নৌ পুলিশ ও চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ বেশ কয়েকবার এই গলদা চিংড়ির পোনা জব্দ করে নদীতে অবমুক্ত করেছে।যারা এই সাথে জড়িত রয়েছে তাদেরকে আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।