আজ  বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

চাঁদপুর ফেরি ঘাটে সরকারি খাস জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি

 

চাঁদপুরে ভূমি দস্যুরা সক্রিয় হয়ে উঠছে , সরকারি খাশ সম্পত্তির মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে।
পেশী শক্তি ও ক্ষমতা ব্যবহার করে সরকারি সম্পত্তির মাটি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র।
অথচ সবকিছু জেনে না জানার ভান করে কর্তৃপক্ষ নীরব রয়েছে।
চাঁদপুর সদর ১১ নং ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন ঈদ গাঁ ফেরি ঘাট ত্রলাকায় সরকারি খাশ জমি থেকে ভুমি খেকুরা প্রায় ৪ লক্ষ ফুট মাটি বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাশেম খান ও ভূমি কর্মকর্তাকে টাকার বিনিময় ম্যানেজ করে ভূমি দস্যুরা সরকারি খাস সম্পত্তি মাটি বিক্রি করছে বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও কোন ভূমিকা না নেওয়ায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সরজমিন দেখা যায়, ঈদ গা ফেরিঘাট এলাকার মায়ের দোয়া ব্রীক ফিল্ড সংলগ্ন সরকারি নঁতুন রাস্তার পাশের
সরকারি খাশের ১৫ দাগের জমি থেকে ত্রলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রকাশ্য দিবালোকে মাটি কেটে বিক্রি করছে।
বিগত দেড় মাস যাবত ওই ত্রলাকার মান্নান গাজির ছেলে মোঃ শাহ হোসেন গাজি, মুক্তার দেওয়ান ও জয়নাল শেখের ছেলে কালাম শেখ সহ আরো কয়েকজন মিলে ইট ভাটার বেকু মেশিন দিয়ে সরকারি জমির মাটি কেটে পাশের ২টি ব্রিক ফিল্ডের কাছে বিক্রি করে আসছে।
অথচ তার পাশেই রয়েছে নরসিংপুর চাঁদপুর জোনের পুলিশ ফাঁড়ি, যাদের চোখের সামনে সরকারি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছে ভুমি খেকুরা। ওই ভূমিদস্যুদের মদত দিচ্ছে ইউপি চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনির পাঠান। তাদের শেল্টার পেয়ে ভূমিদস্যুরা সরকারি জমির মাটি বিক্রি করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
ত্রলাকার কয়েকজন ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাকে বিষয়টি মুখিক অভিযোগ করেছেন, কিন্তু তিনি সরকারি রক্ষক হয়ে বক্ষকের মত নিরব ভুমিকার দায়িত্ব পালন করার কারণ অজানা নেই, অনেকেই মনে করেন ভুমি কর্মকর্তাকে মেনেজ করে দালাল চক্র সহ ভুমি খেকুদের সরকারি মাটি কেটে বিক্রি করেছে।
ত্রলাকার অনেক অভিযোগ করে বলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাশেম খান প্রতি ফুটে ১ টাকা করে তাদের কাছ থেকে মাসোহারা নিচ্ছেন, তার সাথে আরো কথিত কয়েকজন রয়েছেন যারা মাসোহারা পায়,যার কারনে সরকারি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছে ইটের ভাটায়, ত্রমন ও জানা যায় দিনের সময় মাটি কেটে রাতেঁর আধাঁরে শরিয়তপুর মাটি পাচার করছে।
ত্রদিকে তাদের মাটি কাটার কারনে চলাচল কারি রাস্তাটি ভেঙে যেতে পারে, তার সাথে বর্ষা মৌসুমে মেঘনার ভাঙনের শিকার হতে পারে ঈদ গাঁ ফেরি ঘাট বিরাট ত্রলাকা, তার সাথে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্টান সহ বসত ভিটে, ত্রর সাথে রয়েছে কৃষি জমি যাহা ঝুকির মুখে পড়ার সম্বাভনা রয়েছে বলে ত্রলাকাবাসি মনে করেন।
অভিযুক্ত মোঃ শাহ হোসেন গাজি জানায়, সরকারের কাছ থেকে কৃষি বীজ নিয়ে চাষাবাদ করেছি এখন পানি জমে থাকায় মাছ চাষের জন্য মাটি কেটে ঝিল তৈরি করার চেষ্টা করছি।
পাশের ব্রিকফিল্ডে সে মাটি তাদের ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিচ্ছে। এর সাথে এলাকার আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে।
ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাশেম খান জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি কিছু মাটি কেটেছে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে।পরবর্তীতে মাটি কেটে নিলে আমার কিছুই করার নেই প্রশাসন তা দেখবে।
এ বিষয়ে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা জানায়, সরকারি খাস সম্পত্তির মাটি কাটার বিষয়টি জানার পর তাদেরকে মৌখিকভাবে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে কাটা হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ত্রই বিষয়ে জড়রি ব্যবস্থা গ্রহন করে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

শিি