আজ  বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

নিষ্কাশন ব্যবস্থা না রেখে রাস্তা নির্মাণ চাঁদপুরে জলাবদ্ধতার ২০ একর কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত

 

পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না রেখে গোবিন্দিয়া মৌজার ওয়াপদার খালের উপর ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতার ২০ একর কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। শতশত কৃষক জমিতে চাষ করতে না পারায় বেকার সময় পার করছে। আর্থিক অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়ে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন কাটাচ্ছে।
পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করার লক্ষ্যে এলাকার কৃষকরা ও জমির মালিকরা জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাবর ৪ ডিসেম্বর একটি অভিযোগ করেও গত ৩ মাষে কোন রেহাই মেলেনি।
হানারচর ইউনিয়ন গোবিন্দিয়া মৌজার ওয়াপদার খালের পাশে প্রায় ২০ একর সম্পত্তির উপর কৃষি জমিতে কৃষকরা ইরি ধান ও আমন ধানের চাষ করতো।
এই এলাকায় বর্ষার মৌসুমে জমির পানি ওয়াবদার খাল দিয়ে নিষ্কাশন হতো।
কিছুদিন পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তাটি নতুনভাবে করলেও কালভার্ট ও পাইপ না থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।
এছাড়া ওয়াপদার খালে খণ্ড খণ্ড ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান সহ বেশ কয়েকজন মাটি ফেলে বাঁধ দিয়ে মৎস্য চাষ করায় বর্ষা ও শীত মৌসুমেও জমিতে জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে। এ কারণেই জলাবদ্ধতা থাকায় কৃষকরা জমিতে ফলন ফলাতে পারছেনা।
স্থানীয় বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে মৎস্য চাষ করায় ও ইউনিয়ন পরিষদের সামনের রাস্তাটি নতুন করে করার কারনে ২০ একর কৃষি জমি পানিতে নিয়োজিত রয়েছে।
সকল জায়গায় অভিযোগ করেও এর কোন প্রতিকার না হওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। স্থায়ীভাবে এর সমাধান চায় সকলে। কোন মৌসুমে কৃষকরা এই জমিতে ফলন করতে না পাড়ায় এতে করে খাদ্য ঘাটতি দিন দিন বাড়ছে।
এলাকার প্রায় ৫০ জন কৃষক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর এর সমাধান চেয়ে একটি অভিযোগ করার পরেও তারা কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অতি দ্রুত এই রাস্তা গুলো মাঝখানে কালভার্ট স্থাপন করে পানি নিষ্কাশন সচল করার জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকার শতশত কৃষক।