আজ  শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

ভারত থেকে মুসলিমদের বের করে দিলে আবারও স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিব: মমতা

 

 

এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) ই’স্যুতে গণ-আ’ন্দো’লনের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর সোমবার বি’ক্ষো’ভ মি’ছি’লের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিজেপি ছাড়া সব রাজনৈতিক দল ও গণ সংগঠনসহ সাধারণ মানুষকে এই মি’ছিলে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন মমতা।
সোমবার বেলা ১টায় আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশ থেকে মি’ছিল শুরু হবে, যা শেষ হবে জোড়াসাঁকোতে। মঙ্গলবার মি’ছিল শুরু হবে দক্ষিণ কলকাতার ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হবে মিছিল। এদিকে ২০ ডিসেম্বর এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) নিয়ে তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।
দিঘায় চলতি শিল্প সম্মলনে সাংবাদিকদের মু’খো’মুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, শুরু থেকেই এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব)-র বিরোধীতা করছে তৃণমূল সরকার, আগামী দিনেও তা করবে। এই রাজ্যে এনআরসি করতে দেবেন না তিনি এবং তার দল। রাজ্যের মানুষকে মমতা বলেন, ভ’য়ের কোনও কারণ নেই, যেমন শা’ন্তিতে আছেন তেমনই থাকবেন। সূত্র: এই সময়
মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্নের দাবিতে গ্রীসে প্রতিবাদসভা
আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার দাবিকে তুলে ধরে গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) গ্রীসের রাজধানী এথেন্সের সংসদ ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। গ্রীসের বর্ণবৈষম্য বিরোধী সংগঠন ইউনাইটেড মুভমেন্ট এগেইনস্ট রেসিজম এবং ফ্যাসিজমসহ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীস-এর আয়োজনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে ইউনাইটেড মুভমেন্ট এগেইনস্ট রেসিজম এবং ফ্যাসিজম এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মিয়ানমারের নির্বিচারে মানব হ’ত্যায় সারা পৃথিবী আজ লজ্জিত। মিয়ানমার সে দেশের রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ, শিশুদের নির্বিচারে গণহ’ত্যা, ধ’র্ষণ, লুণ্ঠ’ন, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়াসহ পৈশাচিক, বর্বর আচরণ করে তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।
সেই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। মিয়ানমার তাদের ফেরত নিচ্ছে না। মিয়ানমারের গণহ’ত্যার বিচারের দাবিতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করেছে আফ্রিকা মহাদেশের দেশ গাম্বিয়া। সেই মাম’লার শুনানি ১০,১১ এবং ১২ ডিসেম্বর।
মিয়ানমারের নির্বিচার গণহ’ত্যার প্রতিবাদ, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়া এবং জাতিসংঘে বিচারের দাবিতে সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে গ্রীসে বসবাসকারী বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, মিশর, ভারত, পাকিস্তান, গাম্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) গ্রীসের সকল মানবাধিকার সংগঠনের উদ্যোগে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশেও মিয়ানমারের বিচার এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার দাবি অত্যন্ত জোরোলোভাবে তুলে ধরা হবে।